Posts

Bhakti Shastri Answer : Front Page

  হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে  হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে  ইস্কন ভক্তি শাস্ত্রী কোর্স  (yyyy-yyyy) UNIT -  খোলা বই মূল্যায়ন পরীক্ষা  পরীক্ষার্থীর নাম :   মোবাইল নং : 

Bhakti Shastri Answer : উপদেশামৃত

প্রশ্নঃ ইন্দ্রিয়ের বেগগুলিকে কিভাবে আপনি দমন করতে পারবেন, তা আলােচনা করুন। শ্ৰী উপদেশামৃতের ১ নং শ্লোক থেকে সংস্কৃত শব্দ ও উপমা উদ্ধৃতি দিন। উত্তরঃ ইন্দ্রিয়ের ছয়টি বেগের আমার জীবনে প্রভাব : বাক্যের বেগ :  ১) আমি প্রায়ই অপ্রয়োজনীয় কথা বলে ফেলি যার কোনো মূল্য নেই।  ২) আমি কখনো কখনো আমার পরিচিতদের অনেক কটূ বাক্য বলে ফেলি।  ৩) আমি অকারণে আমার পিতামাতাকে অপ্রীতিকর শব্দ বলে ফেলি।  ক্রোধের বেগ : ১) আমাকে কেউ অপমান জনক কথা বললে আমি খুব সহজেই ক্রোধিত হয়ে পরি।   ২) আমার কথা অনুযায়ী কাজ না হলে আমি ক্রোধিত হয়ে পরি।  ৩) আমার মনের ইচ্ছা পূরণ না হলে আমি ক্রোধিত হয়ে পরি।  জিহ্বার বেগ : ১) আমার বেশিরভাগ সময় সুস্বাদু খাবার খেতে ইচ্ছা করে। ২) অনেক সময় যা প্রসাদ নয় যেমন দোকানের মিষ্টি ইত্যাদি খেয়ে ফেলি। ৩) যেগুলি স্বাস্থ্যের অনুকূল নয় যেমন ম্যাগি, চাওমিন ইত্যাদি অত্যাধিক পরিমানে খেয়ে ফেলি।  মনের বেগ : ১) আমি মাঝে মধ্যেই অপ্রয়োজনীয় কথা চিন্তা করে সময় নষ্ট করি।  ২) অনেক সময় অবাস্তব ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করি।  ৩) অনেক দুর্লভ ...

Bhakti Shastri Answer : ঈশোপনিষদ

প্রশ্ন: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে কিভাবে ঈশাবাস্য নীতি প্রয়োগ করা যাবে তা নিজের ভাষায় উল্লেখ করুন: সমাজে  ইসকনে  আপনার ব্যক্তিগত জীবনে নিজের ভাষায় বর্ণনা করুন নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে ঈশাবাস্য নীতি প্রয়োগ করার ফলে কি উপকার হবে: সমাজে  ইসকনে  আপনার ব্যক্তিগত জীবনে  শ্রীঈশোপনিষদের ১-৩ মন্ত্র থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করুন।  উত্তর: নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলিতে কিভাবে ঈশাবাস্য নীতি প্রয়োগ করা যাবে তা নিম্নে বর্ণনা করা হল -- সমাজে:  ১) আধুনিক সমাজে মালিক ও শ্রমিকের সংঘর্ষ সৃষ্টি হয় ঈশাবাস্য নীতি লঙ্ঘন করার ফলে।  ২) রাষ্ট্রের সাথে অন্য রাষ্ট্রের দ্বন্দ সৃষ্টি হয় ঈশাবাস্য নীতি লঙ্ঘনের কারণে।  ৩) ক্যাপিটালিস্টদের আগ্রাসন নীতি ও  কমিউনিস্টদের কৃত্তিম সাম্যবাদ সৃষ্টি করার প্রবণতা জাগে ঈশাবাস্য নীতি না মানার কারণে।  ৪) ভ্রষ্ট নেতা মন্ত্রীরা সাধারণ মানুষের অর্থ নিজের স্বার্থে ব্যবহার করতে চায় ঈশাবাস্য নীতি না পালন করার ফলে।  ৫) অত্যাধিক ভোগ করার প্রবণতা বৃদ্ধি এবং তদ্পশ্চাৎ অসৎ কর্মে লিপ্ত হবার ফলে বহু মানুষ নিজের জীবনকে বিপদগামী ...

Bhakti Shastri Answer : ভক্তিরসামৃতসিন্ধু

প্রশ্ন (২): সাধনা ভক্তির ৬৪ টি অঙ্গের মধ্যে কোনগুলি অনুশীলন আপনি উন্নত করতে পারবেন। সাধনা ভক্তির এই ক্ষেত্রগুলির উন্নতি আপনার কৃষ্ণভাবনায় কিভাবে সাহায্য করবে তা আলোচনা করুন।  উত্তরঃ  ভূমিকা: শ্রীল রূপ গোস্বামী তাঁর বিরচিত ভক্তি রসামৃত সিন্ধু গ্রন্থে সাধনা ভক্তির ৬৪ টি অঙ্গের কথা উল্লেখ করেছেন। এই সাধনা ভক্তির ৬৪ টি অঙ্গ আমাদের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।  প্রথম ভাগ   সাধনাভক্তির ৬৪ টি অঙ্গের মধ্যে নিম্নলিখিত গুলির অনুশীলন আমি উন্নত করতে পারব --  ১) সদগুরুর চরণাশ্রয়  ২) সদগুরুর কাছ থেকে দীক্ষা গ্রহণ ও তাঁর কাছ থেকে শিক্ষা লাভ  ৩) শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস সহকারে গুরু সেবা  ৪) মহাজনদের পদাঙ্ক অনুসরণ  ৫) পুণ্যভূমিতে বাস  ৬) একাদশী ব্রত পালন  ৭) কোনো জীবকে ক্লেশ না দেওয়া  ৮) তিলক ও তুলসী মালা ধারণ  ৯) শ্রীবিগ্রহকে সম্মান সহকারে দণ্ডবৎ প্রণাম  ১০) মন্দির পরিক্রমা  ১১) বিষ্ণু মন্দির অথবা তীর্থে গমন  ১২) শ্রীবিগ্রহের অর্চনা  ১৩) বৈষ্ণব সেবা  ১৪) সংকীর্তন  ১৫) জপ  ১৬) প্রসাদ সেবন  ১৭) ভাগব...

Bhakti Shastri Answer : ভগবদগীতা (2)

 প্রশ্ন: জড়া প্রকৃতির গুনের ভিত্তিতে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার আচরণ গুলিকে কিভাবে বিশ্লেষণ করা যেতে পারে তা নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করুন। ভগবদগীতার ১৭ অধ্যায়ের ১-৩ নং শ্লোক গুলি ও তাৎপর্য থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করুন।  উত্তর:  প্রথম ভাগ : সত্ত্বগুণের ভিত্তিতে : দেবতাদের পূজা: সত্ত্বগুণে অধিষ্ঠিত ব্যাক্তিরা সাধারণত বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করে থাকেন। যেমন শিব, দূর্গা, লক্ষী, সরস্বতী, গণেশ ইত্যাদি। তাদের নিজ নিজ শ্রদ্ধা অনুসারে কোনো বিশেষ দেবতার পূজা করেন। সত্ত্বগুণে অধিষ্ঠিত নির্বিশেষবাদীরাও পাঁচ রকমের দেব-দেবীর পূজা করে থাকে।  তুলসী পূজা: প্রত্যেক সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তুলসী দেবীর পূজা করেন।  গঙ্গা দেবীর পূজা: গঙ্গা দেবীর আরতি করা, গঙ্গা স্নান করা, গঙ্গা জল দিয়ে আচমন করা, গঙ্গায় অস্থি বিসর্জন করা ইত্যাদি আচার গুলি সাত্ত্বিক।  বাস্তু পূজা: গৃহ নির্মাণের পূর্বে বা কোনো মন্দির নির্মাণের পূর্বে বাস্তু পূজা সত্ত্বগুণে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরা করে থাকেন।  সদগুরুদেবের পূজা: সদ্গুরুদেবের পূজা করা প্রত্যেক শিষ্যের কর্তব্য। সত্ত্বগুণী যজ্ঞানুষ্ঠান: ফলের আকাঙ্খা রহিত যজ্ঞ...

Bhakti Shastri Answer : ভগবদগীতা (3)

প্রশ্ন: সাধারণ ক্ষেত্রে পুন্য কর্মের গুরুত্ব আলোচনা করুন। কৃষ্ণভক্তি অনুশীলনের ক্ষেত্রে পূর্ব সঞ্চিত পুণ্যকর্মের গুরুত্ব মূল্যায়ন করুন। ৭.২৮ শ্লোক এবং তাৎপর্য থেকে উদ্ধৃতি প্রদান করুন। উত্তর:- বিষয়: কৃষ্ণভক্তি অনুশীলনের ক্ষেত্রে পুন্য কর্মের গুরুত্ব।  ভূমিকা: পুণ্যকর্মের ফলে মানুষ দেবদেবীর পূজা করে। কিন্তু কৃষ্ণ ভক্তির ক্ষেত্রে অগ্রসর হতে হলে সাধুসঙ্গের প্রয়োজন।  ব্যাখ্যা: শ্রীমদ ভগবদ্গীতার ৭.২৮ শ্লোকে ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছেন - '' যেষাং ত্বন্তগতং পাপং জনানাং পুণ্যকর্মণাম্। তে দ্বন্দ্বমোহনির্মুক্তা ভজন্তে মাং দৃঢব্রতাঃ॥''    যে সমস্ত ব্যক্তির পাপ সম্পূর্ণ রূপে দূরীভূত হয়েছে তারা অধ্যাত্ম কর্ম বা ভগবানকে জানতে চায়। তার জন্য তারা বিভিন্ন যাগযজ্ঞ, দেবদেবীর অর্চনা করা, গীতা, রামায়ণ, মহাভারত ইত্যাদি পড়ে। কিন্তু এই কর্ম দ্বারা কৃষ্ণভক্তি লাভ করা যায় না। এই কথা শুকদেব গোস্বামী শ্রীমদ ভাগবতে ৫.৫.২ শ্লোকে বলেছেন  " মহৎসেবাং দ্বারমাহুর্বিমুক্তেস্তমোদ্বারং যোষিতাং সঙ্গিসঙ্গম্ মহান্তস্তে সমচিত্তাঃ প্রশান্তা বিমন্যবঃ সুহৃদঃ সাধবো যে"  যে কোটি কোটি জন্মের সুকৃত...

Bhakti Shastri Answer : ভগবদগীতা (4)

  প্রশ্ন:-   যথাযথ ভাবে ব্যাখ্যা করুন কিভাবে কৃষ্ণভক্তি অতি সহজেই করা সম্ভব ৯.২৬  শ্লোক এবং তাৎপর্য থেকে প্রমাণ উদ্ধৃত করুন। উত্তর:- বিষয় :- আলোচ্য বিষয় হল কেন কৃষ্ণ ভক্তির পথ অত্যন্ত সহজ।  ভূমিকা :  কৃষ্ণ ভক্তির পথ অতি সহজ ও সরল। কিন্তু  সকাম কর্ম যোগ, জ্ঞান যোগ, অষ্টাঙ্গ যোগ, ইত্যাদি পন্থা গুলি এই বর্তমান যুগে পালন করা সম্ভব নয়। এ সম্বন্ধে নিচে বিস্তৃত ভাবে ব্যাখ্যা করা হলো।  ব্যাখ্যা :- সকাম কর্ম :  সকাম কর্মের পথ অত্যন্ত কষ্টকর ও ব্যয়বহুল। বেদে বর্ণিত কর্মকাণ্ডীয় যজ্ঞানুষ্ঠান করার জন্য বহুবিধ আয়োজন ও উপকরণের প্রয়োজন। যা বর্তমান সময়ে সহজলভ্য় নয়। যেমন বিশুদ্ধ ঘি ইত্যাদি। এছাড়াও যজ্ঞ সম্পাদনকারী সদাচারী ব্রাহ্মণ খুঁজে পাওয়াও দুর্লভ। তাই সঠিকভাবে পূজা ও যজ্ঞ সম্পাদন না হবার ফলে দেবদেবীরা সন্তুষ্ট হন না বরং তাঁদের প্রতি অপরাধ হয়। তাই সকাম কর্ম আমাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।  সকাম কর্মের মাধ্যমে যে পুণ্য লাভ হয় তার ফলে আমরা উচ্চতর লোকে গিয়ে ভোগ ঐশ্বর্যের মধ্যে জীবন যাপন করতে পারি। কিন্তু পুণ্য ক্ষয় হলে পুনরায় এই জগতে ফিরে...

Bhakti Shastri Answer : ভগবদগীতা (1)

প্রশ্ন - ১ ভগবদ্গীতার 'ভূমিকায়' শ্রীল প্রভুপাদের উদ্দেশ্য এবং মনোভাব প্রকাশিত হয়েছে এমন তিনটি দৃষ্টিভঙ্গির তালিকা করুন এবং ইসকনের জন্য এই সমস্ত দৃষ্টিভঙ্গির গুরুত্ব কি, তা নিজের ভাষায় লিখুন। উত্তর : ভগবদ্গীতার ভূমিকায় প্রদত্ত শ্রীল প্রভুপাদের তিনটি উদ্দেশ্য ও মনোভাব নিম্নলিখিত ভাবে তালিকাভুক্ত করা হল।  ১) আমাদের উদ্দেশ্য হলো শ্রীকৃষ্ণের ইচ্ছাকে প্রতিষ্ঠিত করা।  ক) জগতে সমস্ত জীব কৃষ্ণভক্তি লাভ করুক এবং তাঁর কাছে ফিরে যাক।  খ)  এই জন্য শ্রীল প্রভুপাদ পৃথিবীর প্রায় সমস্ত দেশে বৃহৎ বৃহৎ মন্দির প্রতিষ্ঠা করেছেন।  গ) তিনি কৃষ্ণ নাম  প্রচার করেছেন।  ঘ) অগণিত মানুষকে কৃষ্ণ নামে দীক্ষিত করেছেন।  ঙ) তিনি ভক্তিযোগের প্রশিক্ষণ দিয়েছেন। আমরা কিভাবে ভক্তি জীবন যাপন করবো, যেমন মঙ্গল আরতি, ভোগ অর্পণ করা, সন্ধ্যা আরতি, পুজো অর্চনা ইত্যাদি।  চ) গৃহে থেকে কিভাবে কৃষ্ণ সেবা করা যায় তা শিখিয়েছেন।  ছ) ভক্তিজীবন পালনের সাথে সাথে অপরের মঙ্গল সাধনের জন্য প্রচার কার্য শিখিয়েছেন।  জ) প্রভুপাদ আমাদের অনেক সদগুরু  দিয়েছেন যাঁরা...